salauddin1995: (Default)
সংবাদের বিভাগসমূহ
প্রচ্ছদ
জাতীয়
রাজনীতি
দেশজুড়ে
প্রবাস
আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি
খেলাধূলা
বিনোদন
লাইফস্টাইল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
এক্সক্লুসিভ
জানা অজানা
আইন ও আদালত
অপরাধ ও দুর্নীতি
আরও সংবাদ বিভাগ
মেনু বন্ধ করুন
সোশ্যাল নেটওয়ার্কে আমাদের সঙ্গে সংযুক্ত হন
ফেইসবুক
টুইটার
গুগল প্লাস
ইউটিউব
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
কল করুন
এসএমএস করুন
ইমেইল করুন
মেনু বন্ধ করুন
© প্রবাসীর দিগন্ত ডট কম ২০১৫ - ২০১৬

Guest
অনুগ্রহপূর্বক লগইন করুন:


ব্যবহারকারীর নাম

••••••••••
লগইন
আমাদের সম্পর্কে:
প্রশাসন
বিজ্ঞাপন
যোগাযোগ
মেনু বন্ধ করুন
যোগাযোগ করুন:
কল করুন
এসএমএস করুন
ইমেইল করুন
মেনু বন্ধ করুন
© প্রবাসীর দিগন্ত ডট কম ২০১৫ - ২০১৬

ইসলাম জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা ও তার স্ত্রীর কাহিনী শুনলে আপনিও কাঁদবেন
জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা ও তার স্ত্রীর কাহিনী শুনলে আপনিও কাঁদবেন
জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা ও তার স্ত্রীর কাহিনী শুনলে আপনিও কাঁদবেন
05/01/2017 01:08:00
আমীর হোসেন, প্রতিনিধি

হযরত তালহা (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান। অথচ নবীজী (সা:) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন।

অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কানে পৌছালো। নবীজী সাহাবিদের বললেন, আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন, তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি? আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি? একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:)! আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:) বললেন, তাহলে তালহা! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন?

তালহা কেদে কেঁদে বললেন, রাসুল (সা:)! আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলংগ থাকেন। স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলংগ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:)। ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কেঁদে ফেলেন। নবীজীর দাঁড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন, তালহারে! নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে। আল্লাহু আকবার।

(কাহিনী টি মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে)।
salauddin1995: (Default)
সৌধ সম্পর্কে)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ الرِّبَا أَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً وَاتَّقُواْ اللّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
130

হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণ অর্জন করতে পারো।(সূরা আলে ইমরান-১৩০)

وَأَخْذِهِمُ الرِّبَا وَقَدْ نُهُواْ عَنْهُ وَأَكْلِهِمْ أَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ وَأَعْتَدْنَا لِلْكَافِرِينَ مِنْهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
161

আর এ কারণে যে, তারা সুদ গ্রহণ করত, অথচ এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এবং এ কারণে যে, তারা অপরের সম্পদ ভোগ করতো অন্যায় ভাবে। বস্তুত; আমি কাফেরদের জন্য তৈরী করে রেখেছি বেদনাদায়ক আযাব।(সূরা আন নিসা-১৬১)

الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لاَ يَقُومُونَ إِلاَّ كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُواْ إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا وَأَحَلَّ اللّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا فَمَن جَاءهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىَ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللّهِ وَمَنْ عَادَ فَأُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
275

যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।(সূরা বাকারা-২৭৫)

يَمْحَقُ اللّهُ الْرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللّهُ لاَ يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ
276

আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন অবিশ্বাসী পাপীকে।(সূরা আল বাকারা-২৭৬)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَذَرُواْ مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
278

হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক।(সূরা আল বাকারা-২৭৮)

فَإِن لَّمْ تَفْعَلُواْ فَأْذَنُواْ بِحَرْبٍ مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُؤُوسُ أَمْوَالِكُمْ لاَ تَظْلِمُونَ وَلاَ تُظْلَمُونَ
279

অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার করো না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না।(সূরা আল বাকারা-২৭৯)
salauddin1995: (Default)
 (1)১৩০২। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ সে ব্যক্তির (রক্ষণাবেক্ষণের) দায়ভার গ্রহণ করেন, যে ব্যক্তি তাঁর রাস্তায় বের হয়। (আল্লাহ বলেন,) ‘আমার পথে জিহাদ করার স্পৃহা, আমার প্রতি বিশ্বাস, আমার পয়গম্বরদেরকে সত্যজ্ঞানই তাকে (স্বগৃহ থেকে) বের করে। আমি তার এই দায়িত্ব নিই যে, হয় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব, না হয় তাকে নেকী বা গনিমতের সম্পদ দিয়ে তার সেই বাড়ির দিকে ফিরিয়ে দেব, যে বাড়ি থেকে সে বের হয়েছিল।’ সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ আছে! আল্লাহর পথে দেহে যে কোন জখম পৌঁছে, কিয়ামতের দিনে তা ঠিক এই অবস্থায় আগমন করবে যে, যেন আজই জখম হয়েছে। (টাটকা জখম ও রক্ত ঝরবে।)

তার রং তো রক্তের রং হবে, কিন্তু তার গন্ধ হবে কস্তুরীর মত। সেই মহান সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মদের জীবন আছে! যদি মুসলিমদের জন্য কষ্টের আশংকা না করতাম, তাহলে আমি কখনো এমন মুজাহিদ বাহিনীর পিছনে বসে থাকতাম না, যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে। কিন্তু আমার এ সঙ্গতি নেই যে, আমি তাদের সকলকে বাহন দিই এবং তাদেরও (সকলের জিহাদে বের হওয়ার) সঙ্গতি নেই। আর (আমি চলে গেলে) আমার পিছনে থেকে যাওয়া তাদের জন্য কষ্টকর হবে। সেই মহান সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মদের জীবন আছে! আমার আন্তরিক ইচ্ছা যে, আমি আল্লাহর পথে লড়াই করি এবং শহীদ হই। অতঃপর আবার (জীবিত হয়ে) লড়াই করি, পুনরায় শাহাদত বরণ করি। অতঃপর (পুনর্জীবিত হয়ে) যুদ্ধ করি এবং পুনরায় শহীদ হয়ে যাই।” (বুখারী কিদয়ংশ, মুসলিম) [1]

[1] সহীহুল বুখারী ৩১২৩, মুসলিম ১৮৭৬, ৩৬২৩৭, ২৭, ৮৭, ২৭৯৭, ২৮০৩, ২৯৭২, ৩১২৩, ৫৫৩৩, ৭২২৬, ৭২২৭, ৭৪৫৭, ৭৪৬৩, তিরমিযী ১৬৫৬, নাসায়ী ৩০৯৮, ৩১২২, ৩১২৪, ৩১৪৭, ৩১৫১, ৩১৫২, ৫০২৯, ৫০৩০, ইবনু মাজাহ ২৭৫৩, ২৭৯৫, আহমাদ ৭১১৭, ৭২৬০, ৭২৯৮, ৮৭৫৭, ৮৮৪৩, ৮৯৪০, ৯১৯২, ৯৭৭৬, মুওয়াত্তা মালিক ৯৭৪, ৯৯৯-১০০১, ১০২২, দারেমী ২৩৯১, ২৪০৬

salauddin1995: (Default)
 আমার এক ক্লোজ ফ্রেন্ড দীর্ঘদিন পর দেশে আসল বিয়ে করবে বলে। এসেই আমাকে জানাল, বাসা থেকে তার জন্য মেয়ে দেখা শুরু করে দিয়েছে, তার ইচ্ছা সামনের দুই মাসের মধ্যে বিয়ে করা। আমাকে বলল, যদি আমার পরিচিত কোন মেয়ে থাকে তাকে যেন জানাই। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কেমন মেয়ে চাস? সে জানাল, মেয়ে অবশ্যয় শিক্ষিত, সুন্দরী, ধার্মিক ও সাংসারিক হতে হবে। আমি বললাম, "আচ্ছা ঠিক আছে। তোকে আমি পরে জানাচ্ছি"।

দুইদিন পর তাকে জানালাম, দোস্ত তোর জন্য একটা মেয়ের খোঁজ পেয়েছি। মেয়ে একাউন্টিং এ অনার্স মাস্টার্স, বেশ সুন্দরী বলা যায়, হাইটও ভাল ৫ ফিট ৪। আমার পরিচিত মেয়ে, ওর নাম সায়মা। মেয়েটি যেহেতু একটি ধার্মিক পরিবারে জন্য, সেহেতু আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি সে যথেষ্ট ধার্মিক। সাংসারিকও বটে। আমার বর্ণনা শুনে সে সায়মাকে দেখার জন্য অস্থির হয়ে উঠল। তাকে এমন উৎসাহী দেখাল যেন সে আজ বিকেলের মধ্যেই মেয়ে দেখার কাজ সেরে ফেলতে চাচ্ছে। আমি সায়মার সম্পর্কে আরো ক্লিয়ার করার জন্য বললাম, "দোস্ত, তবে মেয়েটার একটা এক্সসিডেন্ট আছে।" সে থমকে গিয়ে বলল, "কি এক্সসিডেন্ট?" আমি বললাম, "মেয়েটা শর্ট ডিভোর্সি। তার সাথে যে ছেলেটার বিয়ে হয়েছিল, বিয়ের এক মাসের মধ্যে তারা নিশ্চিত হয় সে এডিক্টেড। অনেক চেষ্টা করেও যখন তাকে ফিরানো যাচ্ছিল না, ৬ মাসের মাথায় সায়মার পরিবার সায়মার ভবিষতের কথা চিন্তা করে বাধ্য হয় ডিভোর্স করাতে।"
এবার সে ফুটো বেলুনের মত টুপ করে চুপসে গেল। আমাকে খুব বাজে ভাষায় ধমক দিয়ে বলল-
: তুই আর মেয়ে পেলিনা? আমার জন্য শেষ পর্যন্ত ডিভোর্সি মেয়ে দেখলি?
: তাতে সমস্যা কি? সায়মা শিক্ষিত, সুন্দরী, ধার্মিক, সাংসারিকও। তোর সব রিকুয়ারমেন্ট ফুলফিল করেছে।
: তার সব চেয়ে বড় সমস্যা সে ডিভোর্সি।
: ডিভোর্স সমস্যা হতে যাবে কেনো? ডিভোর্স তো তার নিজের কারণে হয়নি। তার কপাল খারাপ হয়েছিল বলেই তো হয়েছে। তার আগের স্বামী যদি ভাল হত তাহলে তো তাকে এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হত না।
: দোস্ত, এইসব বলে লাভ নাই। একে তো আমি মেনে নিতে পারব না, তার উপর আমার পরিবার আত্মীয়স্বজন তারাও কোন দিন মেনে নিবে না। এটা আমার ফার্স্ট বিয়ে। তুইও কি মেনে নিতে পারবি এমন একটা মেয়েকে বউ হিসেবে?
প্রশ্নটা আমার জন্য কঠিন হয়েগেল। কোন জবাব দিতে পারলাম না। এরপর আর কথা না বাড়িয়ে চলে আসলাম। এর মাঝে সে আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। আমিও করিনি।
প্রায় সাপ্তাহ দুয়েক পর সে আমাকে জানাল,
: দোস্ত, সামনের সাপ্তাহে আমার আকদ। চলে আছিস।
খুশি হয়ে জিজ্ঞেস করলাম-
: কার সাথে বিয়ে হচ্ছে, তোর?
: তোদের এলাকার মেয়ে তানিয়ার সাথে।
তানিয়ার নাম শুনে আমি চমকে উঠলাম। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম-
: তুই কি তানিয়ার সম্পর্কে ভাল করে খোঁজ খবর নিয়েছিলি?
: হুম, সব জেনেই তো বিয়েটা ফাইনাল করলাম।
: দোস্তা তানিয়ার সাথে আমাদের ফ্রেন্ড মনিরের ৬ বছরের রিলেশন ছিল।
: ব্যাপার না, বিয়ের আগে এমন রিলেশন সবার থাকে।
: দোস্ত, তুই কি বুঝতে পারছ এই যুগে ৬ বছরের রিলেশন মানে কি? এটা মোর দেন হাসবেন্ড এন্ড ওয়াইফ...
সে আমাকে থামিয়ে বলল- বললাম তো, সমস্যা নেই, বিয়ের আগে এরকম সম্পর্ক থাকতেই পারে। সংসার করতে চাইলে এযুগে এইসব মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।
: ওকে, ফাইন। তাহলে তুই তানিয়াকে বিয়ে করতে পারলে কেনো সায়মাকে নয়?
: কারণ সায়মা ডিভোর্সি।
: তানিয়া কিন্তু ব্রেকাপ!!
: ডিভোর্সি আর ব্রেকাপ কিন্তু এক নয়।
: অবশ্যয় এক। তবে ডিভোর্স পবিত্র, স্বীকৃত, আর ব্রেকাপ অপবিত্র, অবৈধ।
সে বিদ্রুপ হেসে বলল,
: ডিভোর্স পবিত্র হয় কি করে?
: দেখ ডিভোর্স হতেহলে প্রথমে বিয়ে হতে হয়।
* বিয়ে হচ্ছে বৈধ, যা শরিয়ত সম্মত।
* বিয়ে হচ্ছে এমন একটা বৈধ প্রক্রিয়া যেখানে দুজন নরনারীকে একসাথে থাকার স্বীকৃতি দেয়।
* বিয়ে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুজন নরনারী দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, সেটাও বৈধ।
* এরপর যদি তাদের দুজনের মধ্যে বনিবনা না হয়, তাহলে তারা শরিয়ত ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে ডিভোর্স প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলাদা হয়ে যেতে পারে।
আবার অন্যদিকে ব্রেকাপ হতে হলে অবশ্যয় দুইজন নরনারী মধ্যে বিয়ে বহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক থাকতে হবে।
* বিবাহবহির্ভূত প্রেম একটি শরিয়ত বিরোধী অবৈধ কাজ।
* এর ফলে দুইজন নরনারী অবৈধভাবে মিলিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
* বর্তমানে বেশীরভাগ প্রেমে দৈহিক সম্পর্ক হয়ে থাকে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ, জেনা বা ব্যভিচার।
* দুইদিন পর এই নরনারী মধ্যে যখন মতের অমিল হয় তখন তাদের মধ্যে ব্রেকাপ হয়। যেহেতু বিয়েবহির্ভূত প্রেম অবৈধ, সেহেতু এই প্রেম ব্রেকাপও অবৈধ।
এবার তুই বল, তুই তানিয়াকে মেনে নিতে পারলে কেন সায়মাকে মেনে নিতে পারলি না? প্রেমের ব্রেকাপকে স্বীকৃতি দিতে পারলে কেন বিয়ের ডিভোর্সকে স্বীকৃতি দিতে পারলি না।
সে আমার কাঁধে হাত দিয়ে বলল, দোস্ত, সায়মার বিয়ে হয়েছে এটা যেমন সবাই জানে, ডিভোর্স হয়েছে সেটাও সবাই জানে। কিন্তু তানিয়া মনিরের সাথে প্রেম করেছে এটা যেমন অনেকে জানে না, তাদের মধ্যে কেমন সম্পর্ক ছিল, তারা কোথায় কি কি করেছে, এবং তাদের ব্রেকাপের ব্যাপারটাও অনেকে জানে না। এটাই হয় তো পার্থক্য।
: বাহ, তার মানে যে অবৈধ কাজটা গোপনে করা হয় সেটা খারাপ হলেও ঠিক, আর যে বৈধ কাজটা প্রকাশ্যে করা হয় সেটা ভাল হলেও বেঠিক।
: দোস্ত এক্ষেত্রে আমার কিছুই করার নেই। আমরা সমাজ দ্বারা শাসিত। পরিবার নিয়েই থাকতে হয়।
আসলেই তার কিছুই করার ছিল না, তাই তো শেষ পর্যন্ত সে তানিয়াকেই বিয়ে করল। তবে কিছু দিন আগে শুনলাম, তানিয়া নাকি আবার তার পুরানো প্রেমিকের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে। ডিভোর্সি সায়মার এমন ঝুকি থাকে না। যাই হোক, আমাদের মেন্টালিটি এমন হয়েগেছে যে আমরা বিয়ের ক্ষেত্রে ডিভোর্সি মেয়ে মেনে নিতে না পারলেও একটা ব্রেকপা মেয়ে ঠিকই মেনে নিচ্ছি। থাকুন না তার যত ইতিহাস। যেহেতু এটা ব্রেকাপ হওয়া মেয়েটার প্রথম বিয়ে, তাই সেই ভাল সর্বোৎকৃষ্ট।।
অনেকদিন পর এত বড় লিখা লিখলাম, তাই এই সম্পর্কে আপনাদের মতামত আশা করছি। সবাইকে ধন্যবাদ।
# Collected

salauddin1995: (Default)
 #সুন্নতি_পোশাক

আমাদের সবারই একটা প্রশ্ন হচ্ছে, ডা.জাকির নায়েক
একজন
দা'য়ী হয়েও সুন্নতি পোশাক পরেন না
কেন?
আর টাই কি খ্রিষ্টানদের ক্রুসের প্রতীক?
এইটা
নিয়ে অনেক মুসলিম এবং আলেমদের মধ্যে
প্রচুর মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ উনাকে
খ্রিষ্টানদের দালাল বলে। এ বিষয়ে
আপনার
কি মত?

জাকির নায়েক
নিঃসন্দেহে একজন দীনের দা'য়ী, একজন
দা'য়ী ইলাল্লাহ।
ডা জাকির নায়েক সুন্নতি পোশাক পরেন
না,
এমন কথা
আমার জানা নেই। আমার জানা মতে
তিনি
সুন্নতি
পোশাক পরেন।
আমার জানা মতে কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী
সুন্নতি
পোশাক হোলঃ
ক। সুন্দর ও পবিত্র-পরিচ্ছন্ন পোশাক।
খ। ছতর আবৃত করে এমন পোশাক।
গ। টাখনুর উপরে পরিহিত পোশাক।
ঘ। নিষিদ্ধ নয় এমন পোশাক। যেমন- রেশমি
পোশাক, সোনা খচিত পোশাক, নারীর
পোশাক।
ঙ। দাড়ি।
চ। টুপি।
আমার জানা মতে তিনি সুন্নতি
পোশাকের
সবগুলো
শর্ত পূরণ করেই পোশাক পরেন।
*পোষাকেন প্রথম শর্ত, পোষাক পুরুষের
নাভি
থেকে হাটু পর্যন্ত ঢাকতে হবে।
( সুনানে তিরমিজি, ৫/১১০)।
শর্ত নং-২, পোষাক পাতলা ও অাটোসাটো
হবে না।
( হাইসামী, মাযমাউয যাওয়াইদ, ৫/১৩৬, এই
পৃঃ দুটি হাদিস
বর্ণিত হয়েছে, মুসান্নাফে ইবনে অাবি
শাইবা,
৫/১৫৭, ইবনু সাদ, অাত তাবাবাত, ৫/১৯১,
৩২৮) ।
পুরুষরা মেয়েদর পোষাক ও নারীরা পুরুষের
পোষাক পরতে পারবে না।
( অাবু দাউদ, ৪/৬০, হাকিম, অাল
মুসতাদরাক,
৪/২১৫,
হাইসামী, মাওয়ারিদুয যামঅান, ৪/৪৫০,
বুখারি, ৫/
২২০৭,তাবারানি, অাল মু 'জামুল
অাউসাত,৪/২১২, মুসনাদে
অাহমাদ, ২/৯৫৬)।
পোষাক অহংকারী হতে পারবে না।
( অাবু দাউদ, ৪/৪৩, ইবনে মাজাহ, ২/১১৯২,
১১৯৩)।
পুরুষরা রেশমি পোষাক পরতে পারবে না।
( নাসাঈ,
৮/১৬১, বুখারি, ৫/২২০২, সহিহ মুসলিম,
৩/১৬৩৫,
বুখারি,
১/৩০২, ৫/২১৯৪)।
পোষাক টাকনুর নিচে যাবে না।
( বুখারি, ৫/২১৮২, অাবু দাউদ, ৪/৫৯, বুখারি,
৩/১৩৪০,
ইবনে হিব্বান, ১২/২৬২, অাবু দাউদ, ১/১৭২) ।
এই হল পোষাকের শর্ত।
.
টাই খ্রিষ্টানদের ক্রুসের প্রতীক হবে
কেন?
টাই একটি পোশাক। এর সাথে
খ্রিষ্টানদের
ক্রুসের
কোন সম্পর্ক নেই। পোশাক হিসেবে
প্যান্ট,
শার্ট, টাই -এগুলোর সাথে ইসলামের কোন
বিরোধ নেই। এ নিয়ে জ্ঞানী মুসলিমদের
মধ্যে কোন মতভেদও নেই। আর কেউ
মতভেদ করলেও এগুলো সুন্নতি পোশাক
হবার
ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই।

অনেকে ধারণা করে থাকেন যে, পাঞ্জাবী-টুপি রাসূল (স) এর পোশাক ছিলো,  কিন্তু এটা ভূল ধারণা, এটা কোনো হাদিস থেকে প্রমাণিত নয় (চ্যালেঞ্জ) ।  বরং রাসূল (স) এর নিয়মিত পোশাক ছিলো ২টুকরা সেলাই ছাড়া কাপড়।
টুপি-পাঞ্জাবী যদি রাসূল (স) পরিধান না করা সত্তেও যদি হাদিসের মূলনীতির কারণে সুন্নত হয় তাহলে কোর্ট প্যান্ট কেনো হতে পারবেনা????
মূলত যারা পোশাকের দোহাই দিয়ে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে তারা মূলত তাদের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার ভয় করছে!!!
salauddin1995: (Default)
 *ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক একজন পুরুষ মোট*
*১৪ জন নারীর সাথে দেখা করতে পারবে।*
_______________
* মায়ের মত ৫ জন*
_______________
_১| নিজের মা_
_২| দুধ মা_
_৩| খালা_
_৪| ফুফু_
_৫| শাশুড়ী_
__________________
* বোনের মত ৫ জন*
__________________
_১| আপন বোন_
_২| দুধ বোন_
_৩| দাদী_
_৪| নানী_
_৫| নাতনী_
________________
* মেয়ের মত ৪ জন*
________________
_১| নিজের মেয়ে_
_২| ভাইয়ের মেয়ে_
_৩|বোনের মেয়ে_
_৪| পুত্রবধু_
-------------------------------
*এমনিভাবে একজন মহিলার জন্যেও ১৪ জন*
*পুরুষের সাথে দেখা দেওয়া বৈধ।*
_______________
* বাবার মত ৫ জন*
_______________
_১| নিজের বাবা_
_২| দুধ বাবা_
_৩| চাচা_
_৪| মামা_
_৫| শশুর_
_________________
* ভাইয়ের মত ৫ জন*
_________________
_১| আপন ভাই_
_২| দুধ ভাই_
_৩| দাদা ভাই_
_৪| নানা ভাই_
_৫| নাতী_
_______________
* ছেলের মত ৪জন*
_______________
_১| নিজের ছেলে_
_২| ভাইয়ের ছেলে_
_৩|বোনের ছেলে_
_৪| মেয়ের জামাতা_
______________________________
*এছাড়া বাকিদের সাথে দেখা করা তো দুরের কথা,
অযথা কথাবার্তা বলাও কবিরা গুনাহ..
_চাই তা_সরাসরি হোক বা মোবাইল ফোনে হোক।
*যে গুনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয়না।
_তাই আসুন_
*আমরা সকলে এই গুনাহ থেকে বাচার চেষ্টা করি।
_আল্লাহ আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন।_আমিন
*
*ব্যক্তি ক্ষেত্রে পর্দার যে বিধান...তাও
ভিন্ন...যেমন
*স্বামী—স্ত্রী...স্বামী স্ত্রীর ক্ষেত্রে কোন পর্দা
করতে হয়না...সবকিছুই দেখা বা দেখানো জায়েয
তবে অকারণে লজ্জাস্তান দেখা,নির্লজ্জতার
সামিল...মনে রাখতে হবে যে লজ্জা ইমানের
অর্ধেক...আল—হাদিস...
***নারী—নারী...নারীদের সাথে নারীদের নাভীর
নিজ থেকে হাটুর উপর পর্যন্ত দেখা বা দেখানো
জায়েয নেই...বাকি সব দেখা জায়েয তবে অকারণে
গোপন অঙ্গ দেখা লজ্জাহীনতার পরিচয়,আর লজ্জাই
নারীর শেষ্ট সম্পদ...
***মাহরাম পুরুষদের ক্ষেত্রে মূখমন্ডল,হাতের কব্জির
নিচের অংশ এবং পায়ের চূল গিরার নিচের অংশ
দেখা বা দেখানো জায়েয তবে ফেৎনার আশংকা
থাকলে সবার ক্ষেত্রে এইটার ক্ষেত্রেও সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে...
***বেমাহরাম/পরপুরুষের ক্ষেত্রে সমস্ত শরীলই ঢেকে
রাখা জরুরী...একান্ত জরুরী কাজে বাহিরে যেতে
হলে সমস্ত শরীল ঢেকে যেতে হবে।।

শেয়ার করে জানিয়ে দিন সবাইকে
Page generated Mar. 18th, 2019 02:20 pm
Powered by Dreamwidth Studios